এসো ভুলে যাই দুঃখ
এসো ধরি হাত
হে নতুন বছর আমাদের
এমন অঙ্গীকারের শক্তি দাও
গত বছরটা ছিল আমার জন্য চরম বেদনাদায়ক একটা বছর। নানা ধরনের প্রতিকুলতার মধ্যেও যে আমি বেঁচে ছিলাম এবং আজ এই নতুন বছরের নতুন দিনের সকালে কলম হাতে বসে যে লিখতে পারছি সেজন্য আল্লাহর নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই।
অন্যান্য বছরের মত এ বছরটা আমি সেভাবে শুরু করতে পারি নাই। আগামী ০২/০১/০৩ থেকে আমার পরীক্ষা শুরু হবে বলে এলাকার কোনো অনুষ্ঠানেই আমি অংশগ্রহন করতে পারি নাই। ঘরের মধ্যেই ছিলাম। শুধু রাত ১২:০১ মিনিটে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুকে একটা মিসকল দেই (টিএন্ডটিতে)। আশা করি সে আমার মিসকলটি পেয়েছে, কারণ আমাদের মাঝে আগে থেকেই এমন পরিকল্পনা করা আছে।
এ বছরটা কেমন যাবে জানি না। কিছু কারন আছে যার জন্য হতে পারে এই বছর আমার জন্য সবচেয়ে কলঙ্কময় অথবা সবচেয়ে আনন্দনয়। মানুষ সবসময় আনন্দের পূজারী। আমিও মানুষ, হয়ত একটু পাগল শ্রেণীর। কিন্তু তবুও আমি মানুষ। তাই আমিও আনন্দ খুঁজি এবং একটু বেশি পরিমানেই খুঁজি। যার ফলে কোনো প্রকার আনন্দই আমাকে ধরা দেয় না। তাই আমার বেশীরভাগ সময়ই যায় আনন্দহীন। আমি এই নিরানন্দকে নিয়েই সারাদিন হাসিখুসি থাকার চেষ্টা করি। মন আমি কখনই বেশী খারাপ করি না। তবে যদি এরকম হত মন খারাপ করে থাকলেই সব দুঃখ দূর হয়ে যাবে, তবে আমি সারাদিন মন খারাপ করেই বসে থাকতাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় তা কখনই হবার নয়।
যাই হোক, অনেক কথাইতো লিখলাম। কিন্তু লিখাগুলো কেম যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। ঠিকমত গুছিয়ে লিখতেও পারছি না। এর কারন সম্ভবত পেটের তাড়না। ঘড়িতে বাজে মাত্র সকাল ৭:২০। এত সকালেতো আমার ক্ষুধা লাগার কথা নয়! নতুন বছর, নতুন দিন, সবকিছুই কেমন যেন নতুনভাবে শুরু হয়। তাই হয়ত এই পেটের তাড়নাও নতুর কিছুর ইজ্ঞিত দিচ্ছে। নতুন যদি ভালো হয় তো খুব ভালো কিন্তু তা যদি হয় খারাপ কিছু......?
ভালো না খারাপ সেটা বলবে সময়। এখন আবার সেই অপেক্ষার পালা
আমার ডাইরী
০১/০১/০৩
এসো ধরি হাত
হে নতুন বছর আমাদের
এমন অঙ্গীকারের শক্তি দাও
গত বছরটা ছিল আমার জন্য চরম বেদনাদায়ক একটা বছর। নানা ধরনের প্রতিকুলতার মধ্যেও যে আমি বেঁচে ছিলাম এবং আজ এই নতুন বছরের নতুন দিনের সকালে কলম হাতে বসে যে লিখতে পারছি সেজন্য আল্লাহর নিকট অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই।
অন্যান্য বছরের মত এ বছরটা আমি সেভাবে শুরু করতে পারি নাই। আগামী ০২/০১/০৩ থেকে আমার পরীক্ষা শুরু হবে বলে এলাকার কোনো অনুষ্ঠানেই আমি অংশগ্রহন করতে পারি নাই। ঘরের মধ্যেই ছিলাম। শুধু রাত ১২:০১ মিনিটে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুকে একটা মিসকল দেই (টিএন্ডটিতে)। আশা করি সে আমার মিসকলটি পেয়েছে, কারণ আমাদের মাঝে আগে থেকেই এমন পরিকল্পনা করা আছে।
এ বছরটা কেমন যাবে জানি না। কিছু কারন আছে যার জন্য হতে পারে এই বছর আমার জন্য সবচেয়ে কলঙ্কময় অথবা সবচেয়ে আনন্দনয়। মানুষ সবসময় আনন্দের পূজারী। আমিও মানুষ, হয়ত একটু পাগল শ্রেণীর। কিন্তু তবুও আমি মানুষ। তাই আমিও আনন্দ খুঁজি এবং একটু বেশি পরিমানেই খুঁজি। যার ফলে কোনো প্রকার আনন্দই আমাকে ধরা দেয় না। তাই আমার বেশীরভাগ সময়ই যায় আনন্দহীন। আমি এই নিরানন্দকে নিয়েই সারাদিন হাসিখুসি থাকার চেষ্টা করি। মন আমি কখনই বেশী খারাপ করি না। তবে যদি এরকম হত মন খারাপ করে থাকলেই সব দুঃখ দূর হয়ে যাবে, তবে আমি সারাদিন মন খারাপ করেই বসে থাকতাম। কিন্তু দুঃখের বিষয় তা কখনই হবার নয়।
যাই হোক, অনেক কথাইতো লিখলাম। কিন্তু লিখাগুলো কেম যেন এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। ঠিকমত গুছিয়ে লিখতেও পারছি না। এর কারন সম্ভবত পেটের তাড়না। ঘড়িতে বাজে মাত্র সকাল ৭:২০। এত সকালেতো আমার ক্ষুধা লাগার কথা নয়! নতুন বছর, নতুন দিন, সবকিছুই কেমন যেন নতুনভাবে শুরু হয়। তাই হয়ত এই পেটের তাড়নাও নতুর কিছুর ইজ্ঞিত দিচ্ছে। নতুন যদি ভালো হয় তো খুব ভালো কিন্তু তা যদি হয় খারাপ কিছু......?
ভালো না খারাপ সেটা বলবে সময়। এখন আবার সেই অপেক্ষার পালা
আমার ডাইরী
০১/০১/০৩
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন