এবার ঈদে পা ভেঙ্গে যাবার কারনে গ্রামের বাড়িতে যেতে পারিনি। তাই মায়ের কবরটাও দেখতে পারিনি। মনটা তাই ভাল ছিল না। দুদিন আগে আমার জন্মদিন ছিল। ভেবেছিলাম এবার জন্মদিনে মায়ের সাথে দেখা করে আসব। কিন্তু ইউনিভার্সিটির এক বেরসিক স্যার সেইদিন পরীক্ষা দেয়ে বসলেন। তাই আর গ্রামে যাওয়া হল না। মায়ের সাথে দেখা করাও হল না। মেজাজটা আরো খারাপ হয়ে গেল।
অগ্যতা পরীক্ষা শেষ করেই গ্রামে যেতে হল। গ্রামের সরল মানুষগুলো আমাকে এত পছন্দ করে দেখতে ভালই লাগে। কেন পছন্দ করে জানি না। বরাবরের মত এবারো মায়ের সাথে আমি একা একাই বেশ অনেক্ষন বকবক করলাম। একতরফা ভালোবাসার মত একতরফা কথা। যার কোন মানে নেই।
বিকেলবেলা যখন চলে আসব, তখন দেখা হয়ে গেল আমাদের গ্রামের বিজ্ঞ এক চাচার সাথে। উনি অত্যন্ত ভাল একজন মানুষ। কিন্তু উনার সমস্যা হল উনি কথা একটু বেশী বলেন। শুধু বেশী না অতিরিক্ত বেশী। আমার থেকেও বেশী বলেন। লক্ষ করলাম উনার হাতে বড় এক ইলিশ মাছ। সম্ভবত বাজার করে আসছিলেন। উনাকে দেখে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইলাম, কিন্তু তা সম্ভব হল না। উনি আমাকে দেখে মাছ হাতে নিয়েই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। মাছ আমার শরীর স্পর্শ করল কিনা ঠিক বুঝতে পারলাম না।
কথা শুরু করে দিলেন। অনেক্ষন কথা চলতে থাকল। কিছুতেই কথা শেষ হচ্ছে না। এদিকে সন্ধা হয়ে আসছিল। শেষে বাধ্য হয়ে আমাকেই বলতে হল চাচা এবার আমাকে যেতে হবে। একথা শুনে অবশেষে তিনি বিদায় দিলেন। বিদায় নিতে নিতে প্রশ্ন করলাম চাচা অনেক বড় মাছ কত হল?
উনি বেশ তৃপ্তি নিয়ে হাসি মুখে উত্তর দিলেন দেড়শো বিশ। তারপর উনি চলে গেলেন। প্রথমে কিছুই বুঝলাম না। বেশ অনেক্ষন চিন্তা করার পর বুঝলাম, দেড়শো বিশ অর্থাত মাছটির দাম হল ১৭০ টাকা। হাঃ হাঃ হাঃ......
বাসে করে যখন ঢাকায় ফিরছিলাম আমার পাশের ভদ্রলোকটি বার বার আমার দিকে কেমন করে যেন তাকাচ্ছিলেন। মনে হয় মাছের গন্ধ উনার সহ্য হচ্ছে না।
অগ্যতা পরীক্ষা শেষ করেই গ্রামে যেতে হল। গ্রামের সরল মানুষগুলো আমাকে এত পছন্দ করে দেখতে ভালই লাগে। কেন পছন্দ করে জানি না। বরাবরের মত এবারো মায়ের সাথে আমি একা একাই বেশ অনেক্ষন বকবক করলাম। একতরফা ভালোবাসার মত একতরফা কথা। যার কোন মানে নেই।
বিকেলবেলা যখন চলে আসব, তখন দেখা হয়ে গেল আমাদের গ্রামের বিজ্ঞ এক চাচার সাথে। উনি অত্যন্ত ভাল একজন মানুষ। কিন্তু উনার সমস্যা হল উনি কথা একটু বেশী বলেন। শুধু বেশী না অতিরিক্ত বেশী। আমার থেকেও বেশী বলেন। লক্ষ করলাম উনার হাতে বড় এক ইলিশ মাছ। সম্ভবত বাজার করে আসছিলেন। উনাকে দেখে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চাইলাম, কিন্তু তা সম্ভব হল না। উনি আমাকে দেখে মাছ হাতে নিয়েই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। মাছ আমার শরীর স্পর্শ করল কিনা ঠিক বুঝতে পারলাম না।
কথা শুরু করে দিলেন। অনেক্ষন কথা চলতে থাকল। কিছুতেই কথা শেষ হচ্ছে না। এদিকে সন্ধা হয়ে আসছিল। শেষে বাধ্য হয়ে আমাকেই বলতে হল চাচা এবার আমাকে যেতে হবে। একথা শুনে অবশেষে তিনি বিদায় দিলেন। বিদায় নিতে নিতে প্রশ্ন করলাম চাচা অনেক বড় মাছ কত হল?
উনি বেশ তৃপ্তি নিয়ে হাসি মুখে উত্তর দিলেন দেড়শো বিশ। তারপর উনি চলে গেলেন। প্রথমে কিছুই বুঝলাম না। বেশ অনেক্ষন চিন্তা করার পর বুঝলাম, দেড়শো বিশ অর্থাত মাছটির দাম হল ১৭০ টাকা। হাঃ হাঃ হাঃ......
বাসে করে যখন ঢাকায় ফিরছিলাম আমার পাশের ভদ্রলোকটি বার বার আমার দিকে কেমন করে যেন তাকাচ্ছিলেন। মনে হয় মাছের গন্ধ উনার সহ্য হচ্ছে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন